৩১/১০/২০২৬
ল্যাব রিপোর্টের ফরম্যাট
ল্যাব রিপোর্টে যা থাকে: রোগীর নাম ও আইডি, পরীক্ষার নাম, ফল, একক, আর সেই ল্যাবের স্বাভাবিক সীমা। সীমা বই থেকে কপি করে সব ল্যাবে এক রাখা যায় না। যন্ত্র, কিট ও রোগীর অবস্থা ভেদে সীমা বদলায়। প্রত্যয় সেই সীমা ল্যাবকে বসাতে দেয়। সফটওয়্যার নিজে রোগের নাম দেয় না।
সৈয়দপুর ডায়াবেটিক সমিতিতে ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ১৩ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ৯৯৩টি ল্যাব অর্ডার। রোগীর রেকর্ড ৬,৮৯৪, শুরুতে আমদানি করা তালিকাসহ। এই সংখ্যা দিয়ে কোনো পরীক্ষার স্বাভাবিক সীমা প্রমাণ হয় না।
রিপোর্ট ছাপার আগে
- রোগী সেই মানুষই, নতুন করে খোলা ফর্ম নয়
- পরীক্ষার নাম ও একক মিলেছে
- সীমা এই ল্যাবের, অন্য ল্যাবের ছবি থেকে তোলা নয়
- ফল সীমার বাইরে হলে দাগ আছে, কিন্তু দাগ মানে রোগ নির্ণয় নয়
- যিনি সই করবেন, রিপোর্টে তাঁর নাম
সুগার বা HbA1c-এর কোন সংখ্যা “স্বাভাবিক” সেটা এই পাতা বলে না। সেটা ল্যাবের কিট ও চিকিৎসকের বিষয়। প্রত্যয়ের দাম দামের পাতায়।